মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসর শুরু হচ্ছে আগামী পহেলা জানুয়ারি। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে পর্দা উঠবে দেশের সবচেয়ে বড় এই বাণিজ্য আয়োজনের। তবে উদ্বোধনের মাত্র দুই দিন আগে পর্যন্তও মেলার প্রস্তুতি পুরোপুরি শেষ হয়নি।
এবারের মেলার নামকরণ নিয়ে শুরুতে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাই নাম বহাল থাকছে। সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রস্তাব উঠলেও মেলার স্টিয়ারিং কমিটি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। মেলার আন্তর্জাতিক মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এই আলোচনা শুরু হলেও বিদেশি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ থাকায় নাম পরিবর্তন করা হয়নি।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের মেলায় বিদেশি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ থাকছে। তবে বেশিরভাগ দেশ সরাসরি নয়, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে তাদের পণ্য ও প্রতিষ্ঠান উপস্থাপন করছে। এর ফলে অতীতে বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য কিছু সীমাবদ্ধতা তৈরি হলেও এবার পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে দুটি শিশু পার্ক। শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি পণ্যের প্রদর্শন ও বিপণনের সুবিধার্থে রাখা হয়েছে সিটিং কর্নার। পরিবারসহ দর্শনার্থীদের জন্য মেলাকে আরও আকর্ষণীয় করতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে এসেও সব প্যাভিলিয়নের কাজ সম্পন্ন হয়নি। প্রায় ৭০ শতাংশ প্যাভিলিয়নের কাজ শেষের দিকে থাকলেও বাকি ৩০ শতাংশ প্যাভিলিয়নের কাজ এখনো শুরুই হয়নি। বিশেষ করে বিদেশি প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলোর কাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
মেলার প্রধান গেটের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হলেও সামগ্রিকভাবে পুরো প্রাঙ্গণের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। হাতে সময় কম থাকায় নির্ধারিত সময়ে মেলার সব আয়োজন শেষ করা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পহেলা জানুয়ারি থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হবে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। নতুন বছরে ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনোদনের এই আয়োজন ঘিরে এখন অপেক্ষায় উদ্যোক্তা ও সাধারণ দর্শনার্থীরা।
sabbir422
আমি একজন web Developer এবং News Blogger । আমি ৫ বছর ধরে News Blog পরিচালনা করে এসেছি