স্থগিত হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণকাল ঘিরে ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। তফসিল অনুযায়ী প্রচারণা বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট উত্তেজনা ও প্রত্যাশা। তবে নির্বাচন কতটা free & fair হবে সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে ঐক্যনির্ভর জোবিয়ান প্যানেল।
প্যানেলটির অভিযোগ, ভোট গ্রহণের আগেই ব্যালট পেপারে সিল মারা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।
জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচন ঘিরে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ তুঙ্গে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্ভাব্য ঝামেলা এড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। ভোটের দিন শুধুমাত্র প্রার্থী ও বৈধ শিক্ষার্থীরাই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন। বহিরাগতদের জন্য থাকবে কড়া নিষেধাজ্ঞা।
এদিকে আজ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে law enforcement বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।
শিক্ষার্থীদের অনেকেই বলছেন, নির্বাচন শুধু প্রতিনিধি বাছাইয়ের বিষয় নয়—বরং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার একটি সুযোগ।
এক শিক্ষার্থী বলেন,
- আমাদের ক্যান্টিনে খাবারের মান ভালো না, লাইব্রেরির facilities সীমিত, আবার internet-based WiFi সুবিধাও পর্যাপ্ত না।
আরেক শিক্ষার্থী জানান,
- আমরা চাই একটি transparent election, যেখানে আমাদের ভোটের মূল্য থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,
- আগামীকাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ছাত্র সংসদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শিক্ষার্থী ও ভোটার ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন সফল ও নিরপেক্ষ হলে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে একটি positive precedent তৈরি হবে। তবে অভিযোগগুলোর সঠিক তদন্ত না হলে আস্থার সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
sabbir422
আমি একজন web Developer এবং News Blogger । আমি ৫ বছর ধরে News Blog পরিচালনা করে এসেছি