বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় তার পেশা, শিক্ষা, আয়-ব্যয়, সম্পদ ও মামলার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের পেশা রাজনীতি। তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক। তিনি উল্লেখ করেছেন যে তার কোনো দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই। দীর্ঘ ১৭ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তিনি।
হলফনামায় জানানো হয়েছে, তারেক রহমানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। এই আয় মূলত শেয়ার বিনিয়োগ ও ব্যাংক আমানত থেকে আসে। তার নামে ব্যাংক ও নগদ মিলিয়ে মোট অর্থের পরিমাণ ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা।
সম্পদের হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তারেক রহমানের নামে রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকার এফডিআর। এছাড়া তার মালিকানায় আছে ২ দশমিক ০১ একর জমি ও ১ দশমিক ৪ শতাংশ জমি। উপহার হিসেবে পাওয়া জমির পরিমাণ ২ দশমিক ৯ শতাংশ। নিজের নামে কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তারেক রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। এ আয় ও সম্পদের বিপরীতে তিনি ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন।
হলফনামায় আরও জানানো হয়, ২০০৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মোট ৭৭টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এসব মামলার সবগুলোতেই তিনি খালাস বা অব্যাহতি পেয়েছেন। সবচেয়ে বেশি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর।
নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবেও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন তিনি। ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ দুটি আসনে মোট ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি আসনে ব্যয় হবে ৩০ লাখ টাকা করে। এই অর্থ আসবে কৃষি খাতের আয় ও ব্যাংক আমানত থেকে।
সব মিলিয়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরতির পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
sabbir422
আমি একজন web Developer এবং News Blogger । আমি ৫ বছর ধরে News Blog পরিচালনা করে এসেছি